পৃষ্ঠাসমূহ

রসূল (সঃ) বলেছেন

আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আবার এক নতুন দিনে জেগে উঠেছি।

 আজকের ভোরটা যেন অন্যরকম ছিল। আকাশে হালকা কুয়াশা, পাখির কিচিরমিচির, আর মাটির গন্ধে মিশে ছিল এক অদ্ভুত প্রশান্তি। সূর্যের প্রথম আলো যখন গাছের...

রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫

আল্লাহর পথে চলতে হলে আগে তাগুত ত্যাগ করুন


 সবুজ (হোস্ট):

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শ্রোতারা! তোমাদের স্বাগতম জানাচ্ছি আমাদের পডকাস্ট “সত্যের পথে”–এর নতুন পর্বে। আজকে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ ও চিন্তাশীল একটি বিষয় নিয়ে কথা বলবো—“তাগুত”। আমার সাথে আছেন আমার ঘনিষ্ঠ তিন বন্ধু—ফারুক, সুমন আর আব্বাস। ফারুক: ওয়ালাইকুম আসসালাম! সবুজ ভাই, "তাগুত" শব্দটা আমি অনেক জায়গায় শুনেছি। কিন্তু এটা আসলে কী? সুমন: হ্যাঁ, আমি আগে ভাবতাম তাগুত মানেই শুধু মূর্তি বা প্রতিমা। কিন্তু পরে শুনেছি ব্যাপারটা আরও গভীর! আব্বাস: তোমরা ঠিক বলছো। "তাগুত" বলতে বোঝানো হয়—সব ধরনের অন্যায় শক্তিকে, যা মানুষকে আল্লাহর ইবাদত থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। সবুজ: দারুণ! মানে, শুধু প্রতিমা নয়, তাগুত হতে পারে একজন মানুষ, সরকার, মিডিয়া, এমনকি কোনো ফ্যাশন বা আইডলও—যদি সেটা আল্লাহর বিধানকে অমান্য করে। ফারুক: তা হলে যারা নিজের ইচ্ছামতো আইন বানায়, মানুষকে গুনাহের দিকে টানে, তারা কি তাগুত? আব্বাস: একদম! আল্লাহ কুরআনে বলেন: “যারা তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে—তাদের জন্যই আছে নিরাপত্তা ও হিদায়াত।” (সূরা বাকারা: ২৫৭) সুমন: তাহলে শুধু "আমি মুসলিম" বললেই হবে না, তাগুতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে! সবুজ: ঠিকই বলেছো। মুসলমান মানে সে আল্লাহর বান্দা, সে তাগুতের অনুসারী হতে পারে না। আব্বাস: তাই আমাদের উচিত, আগে তাগুতকে “না” বলা, তারপর কুরআন-সুন্নাহকে “হ্যাঁ” বলা। সবুজ (উপসংহার): আলহামদুলিল্লাহ! আজকের আলোচনায় আমরা শিখলাম, কীভাবে তাগুত থেকে দূরে থাকতে হয়, এবং আল্লাহর পথে থাকতে হয়। তোমাদের সবাইকে ধন্যবাদ পডকাস্টটি শোনার জন্য। ইনশাআল্লাহ, আবার দেখা হবে “সত্যের পথে”–এর নতুন পর্বে। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

কোন মন্তব্য নেই: